আজ পবিত্র শবে বরাত
05/07/2012
শাবান মাসের পরেই পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের কাছে মাহে রমজানের আগমনী বার্তাও বয়ে আনে শবে বরাত। পবিত্র সিয়াম সাধনার প্রস্তুতিও শুরু হয় শবে বরাতের আগমনের মধ্য দিয়ে। এই মহিমান্বিত রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যাপিত জীবনের সব ভুল-ভ্রান্তির জন্য অত্যন্ত অনুতাপের সঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে সকাতরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। নফল নামাজ, জিকির-আজকার, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠের মধ্য দিয়ে বিনিদ্র রাত কাটিয়ে ভবিষ্যতে পাপ-পঙ্কিলতা পরিহার করে পরিশুদ্ধ জীবন যাপনের জন্য পরম করুণাময়ের রহমত কামনা করে থাকেন। পবিত্র এ রাতে মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, জিকির-আজকার, মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
একই সঙ্গে প্রয়াত পিতামাতা, আত্মীয়স্বজনসহ চিরবিদায় নেওয়া সব মুসলিম নর-নারীর রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও দশের কল্যাণ এবং বিশ্বশান্তিও কামনা করা হয় এই রাতে। অনেকে সারা রাত নফল ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন, শেষরাতে সেহিরর খেয়ে পরের দিন নফল রোজা রাখেন।
ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি বাঙালি মুসলমানদের কাছে শবে বরাতের একটি আনন্দঘন সামাজিক দিকও রয়েছে। এই দিনে প্রত্যেক মুসলমানের ঘরে সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবার, নানা রকম মুখরোচক হালুয়া, রুটি ও পায়েস তৈরি হয়। ঘরে তৈরি এসব খাবার আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠানো হয়, বিতরণ করা হয় গরিব-দুঃখীর মধ্যে। মহিমান্বিত এ রাতে অনেকেই দান-খয়রাত করে থাকেন।
আজ
১৪ শাবান বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত।
হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের আজকের দিবাগত রাতটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে
অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত।
মহান আল্লাহ তায়ালা এই রাতে বান্দাদের জন্য
তাঁর রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দেন। ‘শবে বরাত’ কথাটি ফারসি ‘শব’ (রাত) ও
‘বরাত’ (সৌভাগ্য)—এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। আরবি ভাষায় শবে বরাতকে
‘লাইলাতুল বরাত’ বলা হয়।শাবান মাসের পরেই পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের কাছে মাহে রমজানের আগমনী বার্তাও বয়ে আনে শবে বরাত। পবিত্র সিয়াম সাধনার প্রস্তুতিও শুরু হয় শবে বরাতের আগমনের মধ্য দিয়ে। এই মহিমান্বিত রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যাপিত জীবনের সব ভুল-ভ্রান্তির জন্য অত্যন্ত অনুতাপের সঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে সকাতরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। নফল নামাজ, জিকির-আজকার, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠের মধ্য দিয়ে বিনিদ্র রাত কাটিয়ে ভবিষ্যতে পাপ-পঙ্কিলতা পরিহার করে পরিশুদ্ধ জীবন যাপনের জন্য পরম করুণাময়ের রহমত কামনা করে থাকেন। পবিত্র এ রাতে মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, জিকির-আজকার, মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
একই সঙ্গে প্রয়াত পিতামাতা, আত্মীয়স্বজনসহ চিরবিদায় নেওয়া সব মুসলিম নর-নারীর রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও দশের কল্যাণ এবং বিশ্বশান্তিও কামনা করা হয় এই রাতে। অনেকে সারা রাত নফল ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন, শেষরাতে সেহিরর খেয়ে পরের দিন নফল রোজা রাখেন।
ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি বাঙালি মুসলমানদের কাছে শবে বরাতের একটি আনন্দঘন সামাজিক দিকও রয়েছে। এই দিনে প্রত্যেক মুসলমানের ঘরে সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবার, নানা রকম মুখরোচক হালুয়া, রুটি ও পায়েস তৈরি হয়। ঘরে তৈরি এসব খাবার আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠানো হয়, বিতরণ করা হয় গরিব-দুঃখীর মধ্যে। মহিমান্বিত এ রাতে অনেকেই দান-খয়রাত করে থাকেন।
No comments:
Post a Comment