এই রাতে ইবাদত করলে হাজার মাসের চেয়ে বেশি ইবাদতের সমান সওয়াব পাওয়া যায়।
এ কারণে সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল ও গুনাহ মাফের রাত হিসেবে শবে কদরের ফজিলত অতুলনীয়। এই রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল কদর’ নামে একটি সূরাও অবতীর্ণ হয়।
প্রতিবছরের মতো আজও ফিরে এসেছে কদরের সেই মহিমান্বিত রাত। হাদিস অনুযায়ী, ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজান দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত।
ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময় এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যাবে, কদরের এই এক রাতের ইবাদতে তার চেয়ে বেশি সওয়াব হাসিল করা সম্ভব।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানেরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং অধিক সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন। শবে কদরের পরদিন কাল বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি থাকবে।
এই রাতকে উপলক্ষ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সর্বত্রই মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। পবিত্র এই রাতে অনেকেই কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।
রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে লাইলাতুল কদর উপলক্ষে বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান আল্লাহ্তায়ালা এই রাতে তাঁর অশেষ রহমত, বরকত ও ক্ষমার ভান্ডার অবারিত করে দেন। তাই মহিমান্বিত এই রাতের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম।
No comments:
Post a Comment