(প্রিয় টেক) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন পরিচালক প্রতিষ্ঠান টেলিটকের থ্রিজি সেবার উদ্বোধন করলেন। এর মধ্য দিয়ে টেলিকম খাতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। দেশে প্রথমবারের মতো বহু কাঙ্ক্ষিত থ্রিজি সেবার উদ্বোধন করতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেলিটক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,
মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর সমকক্ষ হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। থ্রিজি প্রযুক্তির কল্যাণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। এতে করে দ্রুত ও সহজে তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে আমরা অনেক অগ্রসর হয়েছি।
টেলিটকের থ্রিজি বাণিজ্যিক সেবার উদ্বোধন করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন; পরে তিনি এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেলিফোনে আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে আবারো ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে ‘ফোরজি’ সেবা চালু করা হবে।
তিনি বলেন, থ্রিজি লাইসেন্স পলিসি চূড়ান্ত হচ্ছে এবং অন্যান্য মোবাইল ফোন অপারেটররাও শিগগিরই নিলামের মাধ্যমে থ্রিজি লাইসেন্স পাবে।
অনুষ্ঠানে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল, সে অনুযায়ী আমাদের কী প্রয়োজন সেটা আমরা বিশ্লেষণ করেছি। আমরা চেয়েছি কিভাবে প্রযুক্তির সুবিধা মফস্বল বা গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। আমরা চাইনি ডিজিটাল সার্ভিসে শুধু শহরের মানুষই লাভবান হোক আর গ্রামের মানুষ পিছিয়ে পড়ুক। এ টু আই সেলের মাধ্যমে আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা অনেক দূর এগিয়ে আসতে পেরেছি। সরকারি সার্ভিস, পেমেন্ট ও মোবাইলে ট্রেনের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে পারছেন। সাড়ে ৪ হাজার তথ্য কেন্দ্র ১ বছরের মধ্যে তৈরি করে ফেলেছি। থ্রিজি সার্ভিস চালু করতে পেরেছি। এটি খুবই প্রয়োজন ছিল। আগামীতে ক্ষমতায় এলে ফোরজি বাস্তবায়ন করবো।
অনুষ্ঠানে থ্রিজি প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হয়। এই ডাটা সেবার মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান অনেক সহজ হবে। কেউ চাইলেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের দপ্তরে বসে ভিডিও কল বা ভিডিও কনফারেন্স করতে পারবেন। শহরে গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট এড়াতে পারবে পুলিশ। দুর-শিক্ষণ কার্যক্রমও সহজতর হবে। মোবাইল ফোনেই টেলিভিশন দেখা যাবে। সহজ হবে বিনোদন।
এখনো থ্রিজি নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আপাতত এ সেবাকে বলা হচ্ছে ‘পরীক্ষামূলক’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
থ্রিজি প্যাকেজসমূহ
এদিকে টেলিটক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার থেকে তারা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সিম বিক্রি শুরু করবেন। প্রতিটি থ্রিজি সিমের মূল্য হবে ৯’শ টাকা। তবে এর মধ্যে ৫১২ কিলোবিটস/সে. গতির এক গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ থাকবে একেবারে ফ্রি। তাছাড়া আগামী ছয় মাস রিচার্জের ওপর গ্রাহক ৫০০ মিনিটের টকটাইম এবং আরো ৫০০ মিনিটের ভিডিও কল ফ্রি পাবেন। প্রতি একশ টাকা রিচার্জে তিনি ৫০ মিনিটের টকটাইম ও ৫০ মিনিটের ভিডিও কল ফ্রি পাবেন।
বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, থ্রিজি সিমে অন-নেটে (টেলিটক থেকে টেলিটকে) ভয়েস কলের জন্যে প্রতি মিনিটে খরচ হবে ৬০ পয়সা। তবে অফপিক আওয়ারে এই খরচ ৩০ পয়সা হয়ে যাবে। আবার দশ সেকেন্ডের পালস থাকায় পিক আওয়ারে প্রতি দশ সেকেন্ডের মূল্য হবে ১০ পয়সা ও অফপিকে ৫ পয়সা। অন্যদিকে অফ-নেটে (টেলিটক থেকে অন্য অপারেটরে) প্রতি দশ সেকেন্ডের জন্যে খরচ পড়বে ১৬ পয়সা।
ভিডিও কলের ক্ষেত্রে পিক আওয়ারে প্রতি দশ সেকেন্ডের জন্যে টেলিটক নেবে ৫০ পয়সা। অর্থাৎ মিনেটে ৩ টাকা। আর অফপিক আওয়ারে ১০ সেকেন্ডের মূল্য পড়বে ২০ পয়সা। একটি এফএনএফ নম্বরে দশ সেকেন্ড পড়বে ১৫ পয়সা করে।
ডাটার ক্ষেত্রে বান্ডেলের বাইরে গেলে প্রতি ৫ কিলোবাইটের মূল্য রাখা হচ্ছে এক পয়সা। ২৫৬ কিলোবিটস/সে. গতির ক্ষেত্রে ৪ গিগাবাইটের মূল্য পড়বে ৪’শ টাকা। ৮ গিগাবাইটের বান্ডেলের মূল্য ৭’শ টাকা। আনলিমিটেডের ক্ষেত্রে ১,0৫০ টাকা। আবার ৫১২ কিলোবিটস/সে. গতির ক্ষেত্রে ৪ গিগাবাইট ৫’শ টাকা, ১২ গিগাবাইট ৯’শ টাকা এবং আনলিমিটেড ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১৫’শ টাকা।
টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, এই প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে টেলিটকের বোর্ড। আজ কালের মধ্যে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর প্রচার করা হবে।
তবে অপর এক কর্মকর্তা জানান, টেলিটক এখনো থ্রিজি’র জন্যে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। সে কারণে উদ্ভোধনের সময়েও নেটওয়ার্কে কিছু সমস্যা হয়েছে। এই কারণেই তারা এখন অনেক বেশী সিম বাজারে ছাড়বেন না। ওই কর্মকর্তা জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিক্রির জন্যে তারা ১২ হাজারের মতো সিম প্রস্তুত করেছেন। তবে এই সিম বিক্রির ক্ষেত্রেও কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে সিমটি ব্যবহার উপযোগী করার আগে গ্রাহকের পরিচয় পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হবে। এজন্য গত কয়েক মাসে যারা ‘গ্র্যাভিটি’ ক্লাবে যুক্ত হয়েছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করবে টেলিটক কর্তৃপক্ষ।
ওই কর্মকর্তা বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে টেলিটকের ইন্টারনেট ডঙ্গল বাজারে ছাড়া হবে। তার আগে তাদের নেওটওয়ার্ক অনেকটা তৈরী হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর এখনো অন্তত ৪০টি বিটিএস বসানো বাকি।
প্রথমিকভাবে থ্রি জি মোবাইল ফোনে বিটিভির পাশাপাশি জিটিভি, আরটিভি, সময় ও মাইটিভি দেখা যাবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,
মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর সমকক্ষ হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। থ্রিজি প্রযুক্তির কল্যাণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। এতে করে দ্রুত ও সহজে তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে আমরা অনেক অগ্রসর হয়েছি।
টেলিটকের থ্রিজি বাণিজ্যিক সেবার উদ্বোধন করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন; পরে তিনি এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেলিফোনে আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে আবারো ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে ‘ফোরজি’ সেবা চালু করা হবে।
তিনি বলেন, থ্রিজি লাইসেন্স পলিসি চূড়ান্ত হচ্ছে এবং অন্যান্য মোবাইল ফোন অপারেটররাও শিগগিরই নিলামের মাধ্যমে থ্রিজি লাইসেন্স পাবে।
অনুষ্ঠানে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল, সে অনুযায়ী আমাদের কী প্রয়োজন সেটা আমরা বিশ্লেষণ করেছি। আমরা চেয়েছি কিভাবে প্রযুক্তির সুবিধা মফস্বল বা গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। আমরা চাইনি ডিজিটাল সার্ভিসে শুধু শহরের মানুষই লাভবান হোক আর গ্রামের মানুষ পিছিয়ে পড়ুক। এ টু আই সেলের মাধ্যমে আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা অনেক দূর এগিয়ে আসতে পেরেছি। সরকারি সার্ভিস, পেমেন্ট ও মোবাইলে ট্রেনের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে পারছেন। সাড়ে ৪ হাজার তথ্য কেন্দ্র ১ বছরের মধ্যে তৈরি করে ফেলেছি। থ্রিজি সার্ভিস চালু করতে পেরেছি। এটি খুবই প্রয়োজন ছিল। আগামীতে ক্ষমতায় এলে ফোরজি বাস্তবায়ন করবো।
অনুষ্ঠানে থ্রিজি প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হয়। এই ডাটা সেবার মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান অনেক সহজ হবে। কেউ চাইলেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের দপ্তরে বসে ভিডিও কল বা ভিডিও কনফারেন্স করতে পারবেন। শহরে গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট এড়াতে পারবে পুলিশ। দুর-শিক্ষণ কার্যক্রমও সহজতর হবে। মোবাইল ফোনেই টেলিভিশন দেখা যাবে। সহজ হবে বিনোদন।
এখনো থ্রিজি নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আপাতত এ সেবাকে বলা হচ্ছে ‘পরীক্ষামূলক’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
থ্রিজি প্যাকেজসমূহ
এদিকে টেলিটক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার থেকে তারা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সিম বিক্রি শুরু করবেন। প্রতিটি থ্রিজি সিমের মূল্য হবে ৯’শ টাকা। তবে এর মধ্যে ৫১২ কিলোবিটস/সে. গতির এক গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ থাকবে একেবারে ফ্রি। তাছাড়া আগামী ছয় মাস রিচার্জের ওপর গ্রাহক ৫০০ মিনিটের টকটাইম এবং আরো ৫০০ মিনিটের ভিডিও কল ফ্রি পাবেন। প্রতি একশ টাকা রিচার্জে তিনি ৫০ মিনিটের টকটাইম ও ৫০ মিনিটের ভিডিও কল ফ্রি পাবেন।
বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, থ্রিজি সিমে অন-নেটে (টেলিটক থেকে টেলিটকে) ভয়েস কলের জন্যে প্রতি মিনিটে খরচ হবে ৬০ পয়সা। তবে অফপিক আওয়ারে এই খরচ ৩০ পয়সা হয়ে যাবে। আবার দশ সেকেন্ডের পালস থাকায় পিক আওয়ারে প্রতি দশ সেকেন্ডের মূল্য হবে ১০ পয়সা ও অফপিকে ৫ পয়সা। অন্যদিকে অফ-নেটে (টেলিটক থেকে অন্য অপারেটরে) প্রতি দশ সেকেন্ডের জন্যে খরচ পড়বে ১৬ পয়সা।
ভিডিও কলের ক্ষেত্রে পিক আওয়ারে প্রতি দশ সেকেন্ডের জন্যে টেলিটক নেবে ৫০ পয়সা। অর্থাৎ মিনেটে ৩ টাকা। আর অফপিক আওয়ারে ১০ সেকেন্ডের মূল্য পড়বে ২০ পয়সা। একটি এফএনএফ নম্বরে দশ সেকেন্ড পড়বে ১৫ পয়সা করে।
ডাটার ক্ষেত্রে বান্ডেলের বাইরে গেলে প্রতি ৫ কিলোবাইটের মূল্য রাখা হচ্ছে এক পয়সা। ২৫৬ কিলোবিটস/সে. গতির ক্ষেত্রে ৪ গিগাবাইটের মূল্য পড়বে ৪’শ টাকা। ৮ গিগাবাইটের বান্ডেলের মূল্য ৭’শ টাকা। আনলিমিটেডের ক্ষেত্রে ১,0৫০ টাকা। আবার ৫১২ কিলোবিটস/সে. গতির ক্ষেত্রে ৪ গিগাবাইট ৫’শ টাকা, ১২ গিগাবাইট ৯’শ টাকা এবং আনলিমিটেড ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১৫’শ টাকা।
টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, এই প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে টেলিটকের বোর্ড। আজ কালের মধ্যে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর প্রচার করা হবে।
তবে অপর এক কর্মকর্তা জানান, টেলিটক এখনো থ্রিজি’র জন্যে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। সে কারণে উদ্ভোধনের সময়েও নেটওয়ার্কে কিছু সমস্যা হয়েছে। এই কারণেই তারা এখন অনেক বেশী সিম বাজারে ছাড়বেন না। ওই কর্মকর্তা জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিক্রির জন্যে তারা ১২ হাজারের মতো সিম প্রস্তুত করেছেন। তবে এই সিম বিক্রির ক্ষেত্রেও কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে সিমটি ব্যবহার উপযোগী করার আগে গ্রাহকের পরিচয় পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হবে। এজন্য গত কয়েক মাসে যারা ‘গ্র্যাভিটি’ ক্লাবে যুক্ত হয়েছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করবে টেলিটক কর্তৃপক্ষ।
ওই কর্মকর্তা বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে টেলিটকের ইন্টারনেট ডঙ্গল বাজারে ছাড়া হবে। তার আগে তাদের নেওটওয়ার্ক অনেকটা তৈরী হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর এখনো অন্তত ৪০টি বিটিএস বসানো বাকি।
প্রথমিকভাবে থ্রি জি মোবাইল ফোনে বিটিভির পাশাপাশি জিটিভি, আরটিভি, সময় ও মাইটিভি দেখা যাবে।
No comments:
Post a Comment